দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন ধারার সূচনা করতে ‘বাংলাদেশ গ্রীন পার্টি’র আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ হয়েছে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর একটি রেস্টুরেন্টে ‘বিসমিল্লাহ’ শীর্ষক এক অনাড়ম্বর সভার মাধ্যমে দলটির নাম ও স্লোগান ঘোষণা করা হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সামনের সারিতে থাকা তরুণ কওমি আলেম ও শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত উদ্যোগে এই রাজনৈতিক মঞ্চটি গঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে দলের আহ্বায়ক রিদওয়ান হাসান দলটির মূল স্লোগান নির্ধারণ করেন— ‘ইনসাফ ও প্রকৃতির পাহারাদার’। তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, এটি কেবল গতানুগতিক কোনো রাজনৈতিক ঘোষণা নয়; বরং ইনসাফ কায়েম এবং পরিবেশবান্ধব রাষ্ট্র গঠনের অপরিহার্যতা থেকেই এই সংগঠনের জন্ম। তরুণ প্রজন্মকে রাজনৈতিকভাবে সচেতন ও কর্মমুখী করে গড়ে তোলাই হবে তাদের প্রধান লক্ষ্য। উল্লেখ্য, রিদওয়ান হাসান ইতিপূর্বে এনসিপি ও আপ বাংলাদেশ-এর মতো সংগঠনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।
দলের সদস্য সচিব সালাহউদ্দীন জাহাঙ্গীর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশ গ্রীন পার্টি মূলত কওমি মাদরাসা থেকে উঠে আসা একদল দেশপ্রেমিক তরুণের প্রয়াস। যারা মহান মুক্তিযুদ্ধের সার্বভৌমত্ব এবং জুলাই বিপ্লবের বৈষম্যহীন আধুনিক রাষ্ট্র গঠনের চেতনায় অবিচল। তৃণমূল পর্যায়ে জনগণের সেবা পৌঁছে দিতে তারা ‘থানা কমিটি’কে সাংগঠনিক শক্তির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে দেখছেন। সদস্য সংগ্রহে ইতিমধ্যে ডিজিটাল পদ্ধতি বা গুগল ফরম উন্মোচন করা হয়েছে।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কেবল মিছিল-মিটিং বা শো-ডাউনের রাজনীতিতে তারা বিশ্বাসী নয়। বরং ধাপে ধাপে একটি শক্তিশালী ও প্রযুক্তিনির্ভর সংগঠন গড়ে তুলে তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা তাদের অন্যতম লক্ষ্য। দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এহসান সিরাজ। খুব শীঘ্রই দলটির পরবর্তী কর্মসূচি ও পূর্ণাঙ্গ সাংগঠনিক রূপরেখা দেশবাসীর সামনে তুলে ধরা হবে বলে জানানো হয়েছে।
টিএইচএ/
