দেশের কৃষি ব্যবস্থাকে ডিজিটাল ফ্রেমওয়ার্কের আওতায় আনতে প্রাথমিকভাবে ৮টি বিভাগের ৯টি উপজেলায় ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি চালু হতে যাচ্ছে।
গত ৪ মার্চ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আগামী ১৪ এপ্রিল (বাংলা নববর্ষের দিনে) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।
প্রাক-পাইলট পর্যায়ের কার্যক্রম
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব জানান, আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে নির্বাচিত এলাকাগুলোর সব শ্রেণির কৃষকের তথ্য সংগ্রহ সম্পন্ন করা হবে। প্রাক-পাইলট পর্যায়ের এই তথ্য সংগ্রহের পর ৯টি উপজেলার ৯টি নির্দিষ্ট ব্লকে এই কার্ড বিতরণ শুরু হবে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, পরবর্তী চার বছরের মধ্যে দেশের সব উপজেলায় এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।
কৃষি কার্ডের সুবিধা
এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা সরাসরি সরকারি ভর্তুকি, সার ও বীজ সহায়তা এবং কৃষি ঋণ সহজে পাবেন। এতে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং প্রকৃত কৃষকরা উপকৃত হবেন।
কৃষক কার্ডের নির্বাচিত ৯টি উপজেলার তালিকা
প্রাথমিক পর্যায়ে যে ৯টি উপজেলায় এই ডিজিটাল কৃষি কার্ড বিতরণ করা হবে সেগুলো হলো-
ঢাকা বিভাগের টাঙ্গাইল সদর, ময়মনসিংহ বিভাগের জামালপুরের ইসলামপুর, রাজশাহী বিভাগের বগুড়ার শিবগঞ্জ, রংপুর বিভাগের পঞ্চগড় সদর, খুলনা বিভাগের ঝিনাইদহের শৈলকুপা, বরিশাল বিভাগের পিরোজপুরের নেছারাবাদ, সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজারের জুড়ী ও চট্টগ্রাম বিভাগের টেকনাফ, কুমিল্লা সদর।
এনআর/
