সরকারি ছুটি শুরু হতেই রাজধানীজুড়ে পুরোদমে জমে উঠেছে পবিত্র ঈদুল আজহার কোরবানির পশুর হাট। গাবতলী থেকে শুরু করে শাহজাহানপুরসহ ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রতিটি হাটেই এখন ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিদিন শত শত ট্রাকভর্তি গরু, ছাগল ও মহিষ আসছে ঢাকার হাটগুলোতে। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন প্রায় ২৫ থেকে ২৬টি স্থায়ী-অস্থায়ী পশুর হাটে এখন উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
সোমবার (২৫ মে) ভোর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন পশুর হাটে বিক্রেতাদের ব্যাপক হাঁকডাক দেখা গেছে। হাটের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, কেউ পরিবার নিয়ে এসেছেন সাধ ও সাধ্যের মধ্যে কোরবানির পশু কিনতে, আবার কেউ এসেছেন হাটের পরিস্থিতি বুঝতে কিংবা শুধু বাজার ঘুরে দেখতে। বড় বড় হাটগুলোতে এবার দেশি মাঝারি আকারের গরুর চাহিদাই সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে। ক্রেতারা তাঁদের বাজেট অনুযায়ী মাঝারি সাইজের গরুর দিকেই বেশি ঝুঁকছেন।
এদিকে হাটের বিক্রেতারা জানান, এবার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের খামারিদের আনা গরুর সংখ্যা অনেক বেশি হওয়ায় ক্রেতারাও তাঁদের পছন্দ ও নানা দামের মধ্যে পশু কেনার সুযোগ পাচ্ছেন। অন্যদিকে হাটে আসা ক্রেতাদের দাবি, বিক্রেতারা শুরুতে দাম কিছুটা বাড়িয়ে চাইলেন কয়েক দফা দরদামের পর পছন্দের গরু মিলছে। খামারি ও ব্যাপারীরা আশা প্রকাশ করছেন, ঈদের আগের শেষ তিনদিন হাটে রেকর্ড পরিমাণ পশু বিক্রি হবে। তবে একই সাথে তাঁদের মনে একটি শঙ্কাও কাজ করছে; সীমান্ত দিয়ে যদি অবৈধভাবে ভারতীয় গরু দেশে প্রবেশ করে, তবে খামারিদের বড় ধরনের লোকসান গুনতে হতে পারে।
টিএইচএ/
