বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর বাগবিতণ্ডায় সুযোগ নিয়ে ফ্যাসিবাদ ফের পুনর্বাসিত হলে এই দুই দলকে জনগণ ক্ষমা করবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।
তিনি বলেন, যত দ্রুতসম্ভব প্রধান দুই দল বিএনপি ও জামায়াত ইসলামীর পারস্পরিক বাগবিতণ্ডা বন্ধ করুন। (আপনারা) নিজেদের মধ্যে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়ছেন। এর সুযোগ নিয়ে ফ্যাসিবাদ আবারও বাংলাদেশে পুনর্বাসিত হলে বিএনপি ও জামায়াত ইসলামকে বাংলাদেশের জনগণ কখনও ক্ষমা করবে না। ফ্যাসিবাদ মোকাবিলায় রাজপথে যে ঐক্য গড়ে উঠেছে সেই ঐক্যের বিরুদ্ধে কেউ ভূমিকা পালন করলে তাকে জবাবদিহি করতে হবে।
বুধবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে পটুয়াখালী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা কমিটি কর্তৃক আয়োজিত গণসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের আন্দোলনে এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গণহত্যার বিচারের দাবিতে এ গণসমাবেশ আয়োজিত হয়।
মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘৫ আগস্ট বিপ্লব পরবর্তী বাংলাদেশে দাঁড়িয়ে দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলতে চাই পালিয়ে গিয়ে বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী আরেকটি দেশে তোমরা ঘাপটি মেরে বসে থেকে বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের জাল বোনার চেষ্টা করছো। ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে তোমাদের ষড়যন্ত্রকে নস্যাৎ করে দেবে। ’
হেফাজতের এ নেতা বলেন, শেখ হাসিনা চেয়েছিলেন বাংলাদেশকে বিভক্ত করতে। তার রাজনীতির দর্শন ছিল মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ-বিপক্ষ বলে বিভাজনের রাজনীতি। তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলেই রাজাকারের ট্যাগ দিয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের কমান্ডার শহীদ জিয়াউর রহমানকেও রাজাকার ট্যাগ দিয়েছিল। শেখ হাসিনার পক্ষে থাকলে মুক্তিযোদ্ধা আর বিপক্ষে গেলে রাজাকার।
ভরাতের সমালোচনা করে মামুনুল হক বলেন, ইতোমধ্যে শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ থেকে বিতাড়িত হয়ে সর্বশেষ ছিল হারাধন বাংলাদেশ। কৃতদাসী শেখ হাসিনা অনন্তকাল বাংলাদেশ লুটপাট করবে। এই কৃতদাসীকে বাংলার মানুষ তার মুনিবের ঘরে পাঠিয়েছে।
এমএনএকে/
