পাকিস্তানের কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে জেলেই ‘সরাসরি মেরে ফেলার চেষ্টা’ করা হচ্ছে। লর্ডসে ইংল্যান্ড ও পাকিস্তানের মধ্যকার দ্বিতীয় টেস্টের মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে স্কাই স্পোর্টসে ইংলিশ সাবেক অধিনায়ক মাইকেল আথারটনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ দাবি করেন তার দুই ছেলে সুলাইমান ও কাসিম খান।
সাক্ষাৎকারে ইমরান-পুত্র কাসিম খান বলেন, তারা আর কোনও কৌশলও খাটাচ্ছে না। যা করছে তা স্পষ্ট, তাকে ভেতরে সরাসরি মেরে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে। যত দিন সম্ভব আটকে রেখে তার কণ্ঠ স্তব্ধ করে দেওয়াই লক্ষ্য। রাজনৈতিক বন্দিদের অনেকেই জেলে মারা গেছেন বা মেরে ফেলা হয়েছে। বর্তমানে তাকে দিনে ২৩ ঘণ্টারও বেশি সময় একটা ছোট সেলে সম্পূর্ণ একা ও বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছে, যা আগের যেকোনও সময়ের চেয়ে ভয়াবহ।
বাবার শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে কাসিম আরও জানান, চোখে ব্যান্ডেজ থাকা অবস্থায় ইমরানকে বেশ মানসিক চাপে দেখা গেছে, যা তার স্বাভাবিক শান্ত বৈশিষ্ট্যের বিপরীত। ইমরানকে দেখার জন্য ভিসা আবেদন করা হলেও প্রযুক্তিগত কারণ দেখিয়ে পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে।
ইমরানের আরেক ছেলে সুলাইমান বলেন, আমাদের আশঙ্কাই সত্যি হয়েছে। বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার কথা থাকলেও তাকে সরকারের অধীনে একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কয়েক ঘণ্টার জন্য নিয়ে গিয়ে আবার জেলে ফেরত পাঠানো হয়েছে। সেখানকার সরকারি ডাক্তাররা এক ঘণ্টার স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে বলে দেন ‘তিনি ঠিক আছেন’। অথচ স্বাধীন শাফা হাসপাতালে তার চিকিৎসকদের সঙ্গে আমাদের ফুফু (যিনি নিজেও একজন চিকিৎসক) অপেক্ষা করছিলেন, কিন্তু তাকে সেখানে না নিয়ে সোজা কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়।
