ঢাকাই চলচ্চিত্রের খ্যাতনামা খল অভিনেতা ও প্রযোজক মনোয়ার হোসেন ডিপজলের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে অপপ্রচার ও সামাজিক সুনাম ক্ষুণ্নের অভিযোগে মানহানির মামলা দায়ের করেছেন তাঁর আপন খালাতো ভাই।
রোববার (২৬ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসান শাহাদাতের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন ডিপজলের খালাতো ভাই তথা ‘এ. ওয়ান ট্রেডিং বাংলাদেশ’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজিজুর রহমান টাইগার। দায়েরকৃত এই মামলায় ডিপজলের পাশাপাশি তাঁর ম্যানেজার আব্দুল গণি এবং ব্যক্তিগত সহকারী (পিএ) খোকনকেও অভিযুক্ত ও আসামি করা হয়েছে।
আদালতের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ সহকারী রাসেল খন্দকার মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিজ্ঞ আদালত আবেদনটি আমলে নিয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপ-পুলিশ কমিশনারকে (ডিসির) অভিযোগের বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত চালিয়ে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কঠোর নির্দেশ প্রদান করেছেন।
মামলার আরজিতে অভিযোগ করা হয়, বাদী আজিজুর রহমান টাইগারের সামাজিক সুনাম, ব্যবসায়িক সফলতা ও আন্তর্জাতিক পরিচিতিতে চরম ঈর্ষান্বিত হয়ে ডিপজল ও তাঁর সহযোগীরা দীর্ঘ দিন ধরে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। সেই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ৩ আগস্ট ডিপজলের ম্যানেজার আব্দুল গণি বাদী টাইগারের বিরুদ্ধে দারুস সালাম থানায় একটি মিথ্যা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। সেখানে অভিযোগ আনা হয়, টাইগারের উসকানিতে একদল লোক ডিপজলের ভাড়া দেওয়া ‘নাভানা সিএনজি’র জমিতে জবরদখল ও সাইনবোর্ড টানানোর চেষ্টা করেছে। তবে পুলিশের তদন্তে এ জিডির সাথে টাইগারের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা ও সত্যতা পাওয়া যায়নি।
বাদী আজিজুর রহমান টাইগারের দাবি, প্রকৃতপক্ষে ওই নাভানা সিএনজির সম্পত্তির প্রকৃত মালিক তিনি নিজে। কিন্তু মিথ্যা জিডির পরদিন ডিপজল তাঁর ব্যক্তিগত ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে তাঁর বিরুদ্ধে মনগড়া পোস্ট দেন এবং পরবর্তীতে টেলিভিশন ও বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় ভিত্তিহীন বক্তব্য ছড়িয়ে দেন। এর ফলে বাদীর দীর্ঘদিনের সামাজিক সম্মানহানি ও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে কোটি কোটি টাকার অপূরণীয় ক্ষতি সাধিত হয়েছে।
টিএইচএ/
