সাম্প্রতিক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অসন্তোষের মুখে শেষ পর্যন্ত জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের বৈঠকে অনিচ্ছাকৃত এ ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।
অধিবেশনে কথা বলার সময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “আমার একটি ব্যক্তিগত বক্তব্য বা মন্তব্য নিয়ে অনেকেই আপত্তি ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাউকে আঘাত করার উদ্দেশ্যে আমি কিছু বলিনি। তবুও আমার কথায় কেউ যদি ব্যথিত বা আহত হয়ে থাকেন, তবে তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।” মন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর সংসদে উপস্থিত সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে তার এই দুঃখপ্রকাশকে স্বাগত জানান।
এর আগে সম্পূরক প্রশ্ন পর্বে শিক্ষামন্ত্রীর তীব্র সমালোচনা করেন বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তিনি টানা বর্ষণ, নদীভাঙন ও দেশের বড় বড় শহরগুলোতে তীব্র জলাবদ্ধতার মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। শিক্ষার্থীরা সামান্য কিছুদিনের জন্য পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার যৌক্তিক দাবি জানালেও কেন তা বিবেচনা করা হয়নি এবং পরীক্ষা পেছাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কী ধরনের কারিগরি বা প্রশাসনিক সমস্যা ছিল, তা জানতে চান তিনি।
জবাবে শিক্ষামন্ত্রী সার্বিক পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেন, সারা দেশের ৬৪টি জেলায় প্রায় ২ হাজার ৭০০টি কেন্দ্রের মাধ্যমে একযোগে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পরিচালিত হচ্ছে। সার্বিক পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছিল এবং পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় ইতোমধ্যে পর্যায়ক্রমে রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং পরবর্তীতে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন সকল পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
টিএইচএ/
