নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুষ্টিয়া পৌরসভা প্রথম শ্রেণির মর্যাদা পেলেও, নাগরিকরা বলছেন যে তারা তাদের প্রত্যাশিত নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং প্রয়োজনীয় সংস্কারের অভাবই এই দুর্ভোগের প্রধান কারণ।
নগরের বেশিরভাগ সড়কের বেহাল দশা। সড়ক ঘেষে গড়ে উঠেছে বহুতল ভবন। নতুন নতুন মার্কেট গড়ে উঠলেও নেই পার্কিং সুবিধা। ১৮৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রথম শ্রেণির এই পৌরসভায় যথাযথ সুবিধা না থাকার অভিযোগও আছে নাগরিকদের। যানজটমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন শহর গড়ে তোলার দাবি কুষ্টিয়া পৌরবাসীর।
২১টি ওয়ার্ড, ৪২ দশমিক ৭৯ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে গঠিত প্রথম শ্রেণির কুষ্টিয়া পৌরসভা। সবশেষ ২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী জনসংখ্যা ২ লাখ একুশ হাজার ৮শ’ ৬ জন। যা বর্তমানে আরও বেশি।
অকেজো ড্রেনেজ ব্যবস্থা, চাপা সড়ক আর যানজটের তীব্রতায় বিপাকে পড়তে হয় রোগীসহ সাধারণ মানুষকে।
নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে সড়ক ঘেষে ভবন নির্মাণ, যা এখন ভেঙে সরানো প্রায় অসম্ভব। ফলে, সংকট বাড়ছে পৌরবাসীর।
পৌর উন্নয়নে এডিবিসহ কয়েকটি প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। তবে ভবন সরিয়ে সড়ক নির্মাণ বিরাট এক প্রতিবন্ধকতা। পৌর প্রশাসক মিজানুর রহমান বলেন, “পৌরসভার প্রধান সড়কগুলো প্রশস্তকরণ, সংস্কার, ড্রেনেজ নির্মাণের কাজ শুরু হবে। আমাদের টেন্ডার শেষের পর্যায়ে রয়েছে। অনুমোদনের জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে।”
নাগরিকদের অভিযোগ ও সমস্যা সমাধানে কুষ্টিয়া পৌর নাগরিক অধিকার পরিষদ একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তারা পৌরসভার ফটকে অভিযোগ বাক্স স্থাপন করে এবং জমা পড়া অভিযোগগুলো জনসম্মুখে পাঠ করে সমাধানের জন্য পৌর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেন। এ ছাড়া, জেলা প্রশাসন নাগরিক সেবা নিশ্চিতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছে।
এমএআর/
