বশির আহম্মদ মোল্লা, নরসিংদী প্রতিনিধি:
নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার দূর্গম চরাঞ্চলের নিলক্ষা ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে কুয়েত প্রবাসী মামুন (২৮) নিহত। তার পিতা আব্দুল আউয়াল (৫৫) এবং দুই গ্রুপের আরো ১০ জন গুলিবিদ্ধসহ অর্ধশতাধিক আহত হয়।
আজ সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার নিলক্ষার দড়িগাঁও এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহতের ছোট বোন জানান, আওয়ামী লীগ নেতা রাজিউদ্দিন রাজু সমর্থক শহীদ মিয়া গ্রুপের আব্দুল আউয়ালের ছেলে গত ১৯/১১/২৫ কুয়েত থেকে ছুটিতে দেশে আসেন নিহত মামুন মিয়া (২৮)। তাকে তার শশুর বাড়ী ফেলু গ্রপের লোকজন গুলি করে হত্যা করেন এবং তার বাবা আব্দুল আউয়ালকে ৩টি গুলি করা হয় পরে তাকে ঢাকা হাসপাতালে প্রেরন করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, নিলক্ষা বিএনপি অফিসে বেগম খালেদা ও তারেক জিয়ার ছবি ভাংচুর করা হয়। দীর্ঘদিন ধরেই নিলক্ষা ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রয়াত শহিদ মেম্বার গ্রুপ ও ফেলু মিয়া গ্রুপের মধ্যে দন্দ্ব চলে আসছিলো। আজ সকালে স্থানীয় বাজারে ফেলু মিয়া গ্রুপের ইছব মিয়ার মেয়ের জামাতা কুয়েত প্রবাসী গুলিবিদ্ধ হয়ে (নিহত মামুন মিয়ার) সাথে বাকবিন্ডায় জড়ায় প্রতিপক্ষের লোকজনেরা। এসময় সংঘর্ষে জড়ালে উভয় পক্ষের মধ্যের গোলাগুলি ও হামলার ঘটনা ঘটে। এসময় গুলিবিদ্ধ হয়ে মামুনসহ দুই পক্ষের অর্ধশতাধিক আহত হয়। পরে আহতদের মধ্যে তিনজনকে উদ্ধার করে নরসিংদী জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মামুনকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত মামুনের পিতা গুলিবিদ্ধ আউয়াল মিয়া (৫৫) এবং পরশ মিয়া নামে আরো দুইজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় অনেক বাড়ীঘর ভাংচুর অগ্নিসংযোগ এর ঘটনা ঘটেছে।
জেলা পুলিশ সুপার মো: আব্দুল্লাহ আল ফারুক জানান, পরিবেশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য বর্তমানে পুলিশ, সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পর্যাপ্ত মোতায়েন আছে।
এমএআর/
