নিজস্ব প্রতিবেদক:
নিখোঁজের ১০ দিন পর গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বুড়াইল নদীর একটি সাঁকোর নিচে কচুরি পানার সঙ্গে আটকে থাকা শিউলি বেগম নামে এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার দুপুরের দিকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বুড়াইল নদীর বাঁশের সাঁকোর নিচে কচুরি পানার মধ্যে স্থানীয় লোকজন লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। সুন্দরগঞ্জ থেকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নারীর লাশ উদ্ধার করে। মৃত শিউলি বেগম (৩৮) সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের চর খোর্দ্দা গ্রামের শরিফুল ইসলামের স্ত্রী।
পুলিশ ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, শিউলী বেগম দীর্ঘদিন ধরে মৃগী রোগে আক্রান্ত ছিলেন এবং মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় ভুগছিলেন। গত (৯ ডিসেম্বর) সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে তিনি কাউকে কিছু না জানিয়ে নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফিরে আসেননি। পরে স্বজনরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে (১৫ ডিসেম্বর) সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
নিহতের ছেলে মো. রেজোয়ান মিয়া জানান, “তার মা মৃগী রোগে আক্রান্ত ও মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে, নিখোঁজ থাকার কোনো এক সময়ে তিনি অসুস্থ হয়ে নদীতে পড়ে গিয়ে মারা যেতে পারেন। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ বা সন্দেহ নেই।”
এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ থানার ওসি তাজুল ইসলাম বলেন, “ওই সময় সাঁকোর খুঁটিতে আটকে থাকা কচুরি পানার সঙ্গে লাশটি দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। তবে ওই নারী মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন বলে জানান। স্বজনদের কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।”
এমএআর /
