টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানে তিন দিনব্যাপী খুরুজের জোড়ের কার্যক্রম রোববার (৪ জানুয়ারি) আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেন তাবলিগ জামাত বাংলাদেশ (শুরায়ী নেজাম)-এর মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে খুরুজের জোড়সহ বড় ধরনের কোনো সমাবেশ বা অনুষ্ঠান না করার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্রশাসনের সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে তাবলিগ জামাতের শীর্ষ মুরুব্বিরা সে অনুযায়ী করণীয় নির্ধারণ করেছেন। সে হিসেবে বিভিন্ন জেলার সাথীদের নিজ নিজ জেলা থেকেই তাবলিগের সফরে বের হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
হাবিবুল্লাহ রায়হান বলেন, তাবলিগ জামাতের মেহনতের সাথী ও কর্মীর সংখ্যা দেশ-বিদেশে বিপুল এবং এ কার্যক্রম বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত। সাধারণত খুরুজের জোড়ে অংশ নিতে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে মুসল্লিরা বাংলাদেশে আসেন। তবে প্রজ্ঞাপন জারির পর নতুন করে বিদেশিদের আগমন বন্ধ করা হয়েছে। যারা আগেই দেশে পৌঁছেছেন, তাদের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বজায় রাখার লক্ষ্যে সীমিত পরিসরে খুরুজের জোড় আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, এবারের খুরুজের জোড় টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে অনুষ্ঠিত না হয়ে বিদেশি খিত্তা ও টিনশেড মসজিদে সীমাবদ্ধভাবে আয়োজন করা হচ্ছে। এতে ঢাকার আশপাশের শবগুজারির খুরুজে অংশ নেওয়া সাথীরা যোগ দেবেন। অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন জেলার সাথীরা নিজ নিজ জেলা মারকাজ থেকেই আল্লাহর পথে বের হবেন।
ইতোমধ্যে মাওলানা আহমদ লাটসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আগত শীর্ষস্থানীয় মুরুব্বিরা বাংলাদেশে পৌঁছেছেন। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, থাইল্যান্ড, দাগেস্তান, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফ্রান্স, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, সৌদি আরব, কাতার, তুরস্ক, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত, পাকিস্তানসহ প্রায় ৭০টি দেশের দুই হাজারের মতো বিদেশি মেহমান দেশে অবস্থান করছেন।
টিএইচএ/
