নারায়ণগঞ্জ-৪ ফতুল্লা আসনের বিএনপির বিদ্রোহ প্রার্থী শাহ আলম এবং তার পরিবার ও কর্মীদের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা হয়েছে। অভিযোগে নির্বাচনী প্রচারণায় হরিণ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও তিনি ভোটারদের বিভ্রান্ত করতে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের সঙ্গে সম্পর্কিত স্লোগান ব্যবহার করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ফতুল্লা আদালতে এ মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে সিআইডিকে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
সূত্র জানায়, মামলার বিবাদী করা হয়েছে শাহ আলম তার স্ত্রী ইসরাত জাহান সুমি, দুই ছেলে আহনাফ রাফসান শাসন ও আহনাফ শাহ সাহেল এবং চার কর্মী শাহীন মুন্সি, সোহেব আক্তার সোহাগ, জিয়াউল হক জিয়া ও পলাশ হোসেন শরীফকে।
মামলার আইনজীবী এবং ফতুল্লা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল বারী ভূঁইয়া জানান, ১, ২ ও ৩ ফেব্রুয়ারি প্রচারণার সময় শাহ আলম ও তার কর্মীরা বিএনপির মার্কা হরিণ, ধানের শীষের মার্কা হরিণ, বেগম খালেদা জিয়ার মার্কা হরিণ, দেশনেত্রীর মার্কা হরিণ ইত্যাদি বিভ্রান্তিকর স্লোগান দিয়েছেন। এতে ভোটাররা বিভ্রান্ত হয়েছেন এবং নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মামলায় দণ্ডবিধির ৪২০, ৪০৬, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারা এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২-এর ৮১ (খ) ও (গ) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, একই ধরনের অভিযোগে মুকুল নামে আরেক ব্যক্তি আগে শাহ আলমের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। সেই মামলায় আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি আদালতে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে শাহ আলমকে। সাবেক কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শাহ আলম স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন। তারপরও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।
এমএআর/
