নানার বাড়ির এলাকা দিনাজপুরের বিরামপুরে নির্বাচনি জনসভায় গিয়ে ধানের শীষে ভোট চেয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, কেমন আছেন আপনারা? বহু বছর পর নানাবাড়ি আসছি। এখন নাতি এল, কিছু খাওয়ালেন না, এটা কি ভালো কথা হলো। নাতি যে আসছে, একটা জিনিস দিতে হবে। কী দেবেন নানির বাড়ির লোক? ভোট দেবেন। কিসে ভোট দেবেন? ধানের শীষে।
আজ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকাল পৌনে ৪টায় বিরামপুর সরকারি কলেজ মাঠে ধানের শীষের জনসভায় তারেক রহমান বলেন, গত ১৬ বছরে আমাদের বহু নেতাকর্মী রাজনৈতিক অধিকার আদায়ের জন্য অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিল। আজকে আল্লাহর রহমতে আমাদের মাঝে সুযোগ এসেছে। এই এলাকার যত মানুষ আছে মুসলমান, হিন্দু, আদিবাসী, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ—সবাই মিলে ১২ তারিখে আমাদের রাজনৈতিক অধিকার প্রয়োগ করব।
মরহুমা মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার অবদানের কথা উল্লেখ করেন তিনি বলেন, এই এলাকার সন্তান খালেদা জিয়া। তিনি যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, তখন সারা দেশের মেয়েদের ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত শিক্ষাব্যবস্থা ফ্রি করে দিয়েছিলেন। আমরা চাই মা-বোনদের খালেদা জিয়া যে শিক্ষার আলো পৌঁছে দিয়েছেন, সেই মা-বোনদেরসহ খেটে খাওয়া যত নারী আছে, গৃহিণী আছে সবার কাছে আমরা ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে। এই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রতি মাসে মা-বোনদের কাছে সরকার থেকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ সহযোগিতা পৌঁছে দিতে চাই। এর মাধ্যমে তারা অর্থনৈতিকভাব ধীরে ধীরে স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারেন।
দিনাজপুরে কৃষিভিত্তিক শিল্পকারখানা গড়ে তোলার আশ্বাস দিয়ে তারেক রহমান বলেন, এই এলাকার লিচু বিখ্যাত। কিন্তু এই লিচুকে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে বিদেশে রপ্তানি করতে পারব কিনা, সেটা চেষ্টা করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু ১২ তারিখের নির্বাচনে বিএনপি জয়যুক্ত হলে দিনাজপুরের লিচুকে যেন হিমাগারে রাখতে পারি, ঠিকমতো বিদেশে পাঠাতে পারি—সেই পদক্ষেপ আমরা নিতে চাই। এই এলাকার কাটারিভোগ চাল জগদ্বিখ্যাত। এই চালকে আমরা পৃথিবীর আনাচকানাচে রপ্তানির মাধ্যমে পৌঁছে দিতে চাই।
এআইএল/
