উমায়ের হাসান :: আমি যখন উত্তরা বাইতুস সালাম মাদরাসায় দ্বিতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত ছিলাম, তখন আমাদের বড় ভাই মাওলানা আলী হাসান উসামা বাইতুস সালামে দাওরায়ে হাদিসে পড়তেন। মেশকাত জামাতে বেফাক পরীক্ষা দেওয়ার পর তিনি আরও কয়েকজন সাথীকে নিয়ে দারুল উলুম দেওবন্দে গিয়েছিলেন।
উল্লেখ্য, আলী হাসান উসামা ভাই ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী ও সিরিয়ালধারী ছাত্র। মেশকাত ও দাওরা—উভয় জামাতেই তিনি বেফাকের মেধাতালিকার প্রথম দশজনের একজন ছিলেন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, তাঁর সঙ্গে যাওয়া কয়েকজন সাথী ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও তিনি দারুল উলুম দেওবন্দের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হননি।
কেন উত্তীর্ণ হননি? তাঁর কি যোগ্যতার অভাব ছিল? না, বিষয়টি তা নয়। বরং আজ আমার কাছে মনে হয়, দারুল উলুম দেওবন্দ আল্লাহ তাআলার বিশেষ ফয়সালায় এমন কাউকে গ্রহণ করে না, যে ভবিষ্যতে আহলুস-সুন্নাহ ওয়াল জামা’আহর আকীদা ও মানহাজকে কলুষিত করার কারণ হতে পারে। এটিই দেওবন্দের এক বিশেষ মাকবুলিয়্যাত। বহু বছর পর এসে বিষয়টি আমার কাছে এভাবেই প্রতিভাত হয়েছে।
[এটি একটি মতামত। এর জন্য সম্পাদক কোনোভাবেই দায়ী নয়]
