11
সবাই কেবল মাওলানা মামুনুল হক সাহেবের কান্না দেখলো আর এটাতেই ফেস ও বুক ভাসাইলো কিন্তু কেউ এটা দেখলো না-মঞ্চে উপবিষ্ট আরও আলেম রাজনৈতিক ব্যক্তি এবং শ্রোতা সারিতে নানান দলের রাজনৈতিক কর্মীদের সামনে মামুনুল হক তার রাজনীতি করে গেলেন!
১- নিজের উপরে আসা সকল তীর দিলেন মুরুব্বিদের কাধে, এখন থেকে যা আলাপ সেটা ওদিকে হবে।
২- নিজের রাজনৈতিক আদর্শ, স্বার্থ এবং ধরণ ও লক্ষ্য সবটাই প্রাঞ্জল ভাষায় বুঝিয়ে একটা প্রচ্ছন্ন দাওয়াতও দিলেন যে জয়েন করো বিকেএম এর ছায়ায়।
৩-বক্তব্যের মাঝে যে জায়গায় তিনি হিট করলেন তাতে কাল থেকে তিনি আবারও থাকবেন আলাপের শীর্ষে এবং রাজনৈতিক খেলায় এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে প্রতিপক্ষ যত ভড়কে যাবে ততই জেতা সহজ হবে-যে দিকে ইশারা করলেন তাতে অবস্থা তীব্র হবে। যুদ্ধের ময়দানে এমন পরিস্থিতি হয় আর যদিও স্বাভাবিক অবস্থায় রাষ্ট্র কিন্তু একটা সম্ভাব্য লড়াইয়ের মুখেই অবস্থান করছি আমরা। মাওলানা কলিম সিদ্দিকির শিষ্যকে ভারত সুখে থাকতে দেবে না। আল্লাহ তার বান্দাকে হেফাজত করুক এবং কামিয়াব করুক।
৪-সবশেষে তিনি যে কথাটি বললেন তাতে রাজনীতি প্রকট আকার ধারণ করলো- যদি আমি মুরুব্বিদের কথা না মানি তাহলে আমার আনুগত্য আপনারা ত্যাগ করবেন- তার মানে সবাই তার আনুগত্যশীল এটা মাথায় নিয়েই তিনি বললেন-অডিয়েন্স আপ্লুত হইলো কিন্তু জেহনিভাবে মামুনুল হকের মুরিদ হয়ে গেলো।
আখেরে মামুনুল হক সাহেব রাজনীতিটা ধরেই ফেললেন। পাওয়ার পলিটিক্স ছাড়া গতি নাই এটা কেউ না বুঝলেও তিনি বুঝলেন। শাইখুল হাদীস আল্লামা মামুনুল হক একজন রাজনীতিবিদ হয়ে গেলেন।
বোধহয় এই প্রথম কোন কওমি আলেম বাংলাদেশের মাটিতে পাওয়ার পলিটিক্স করার ঘোষণা দিলেন!
নতুন টার্ম- পাহারাদারির রাজনীতি! তাও আবার জুলাইতে। তাইলে কি খেলা হবে?
(মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়, মতামত একান্তই লেখকের নিজের দায়)