জুলাই সনদের আইনী স্বীকৃতি ও জাতীয় নির্বাচনের পূর্বেই গণভোটের দাবিতে আন্দোলনরত আট দলীয় জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক আজ মঙ্গলবার বিকেলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই)। উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক, খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমীর মাওলানা হাবীবুল্লাহ মিয়াজী, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা সারওয়ার কামাল আজিজী, জাগপা’র সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম চানসহ ৮ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
এছাড়াও বৈঠকে অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, অধ্যাপক গোলাম পরওয়ার, অধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী, অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, মাওলানা জালাল উদ্দিন, অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, মাওলানা ইউসুফ সাদিক হাক্কানী, মাওলানা মুসা বিন ইজহার, অধ্যাপক ইকবাল হোসেন, নিজামুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে নেতৃবৃন্দ জুলাই সনদের আইনী স্বীকৃতি ও জাতীয় নির্বাচনের পূর্বেই গণভোট আয়োজনের দাবিতে চলমান আন্দোলনের ব্যাপারে সরকারের নীরব ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ:
১. জুলাই সনদের আইনী স্বীকৃতি ও জাতীয় নির্বাচনের পূর্বেই গণভোটের দাবিতে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় আগামীকাল ১২ নভেম্বর প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনার জন্য সময় চাওয়া হবে।
২. প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনায় সন্তোষজনক বা ফলপ্রসূ সিদ্ধান্ত না এলে আগামীকালই ৮ দলীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবেন।
বৈঠক শেষে নেতৃবৃন্দ জানান, জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে সরকার যদি আন্তরিক না হয়, তবে আন্দোলনের পরবর্তী ধাপ হবে আরও বৃহত্তর ও কঠোর কর্মসূচি।
হাআমা/
