বিপিএল অভিষেকে বাবা মোহাম্মদ নবীর সামনেই ঝড় তুললেন ছেলে হাসান ইসাখিল। বাবা-ছেলে একসঙ্গে মিলে গড়লেন এক বিধ্বংসী জুটিও।
রোববার সন্ধ্যায় সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৮৪ রান তোলে নোয়াখালী। দলের হয়ে ইনিংসের কেন্দ্রে ছিলেন ইসাখিল। ১২০ বলের ইনিংসে ঠিক অর্ধেক ৬০ বল খেলেই দলের অর্ধেক রান (৯২ রান) তুলে নেন এই তরুণ ব্যাটার।
এটাই ছিল বিপিএলে ইসাখিলের প্রথম ম্যাচ। একই সঙ্গে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এই ম্যাচ দিয়েই প্রথমবার বাবা-ছেলে একসঙ্গে মাঠে নামেন নবী ও ইসাখিল। দুজন মিলে চতুর্থ উইকেটে মাত্র ৩০ বলে যোগ করেন ৫৩ রান।
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ইসাখিল শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন। সৌম্য সরকারের সঙ্গে গড়েন ১০১ রানের জুটি। সৌম্য ২৫ বলে ৪৮ রান করে আউট হলেও ইসাখিল চালিয়ে যান ঝড়ো ব্যাটিং। পরবর্তী ব্যাটার শাহাদাত হোসেন দীপু ও হাবিবুর রহমান সোহান বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন।
১৩তম ওভারে ক্রিজে নামেন মোহাম্মদ নবী। এরপর শুরু হয় বাবা-ছেলের তাণ্ডব। ঢাকার বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে দ্রুত রান তুলতে থাকেন তারা। তবে ১৮তম ওভারের শেষ বলে ১৩ বলে ১৭ রান করে আউট হন নবী, ছেলেকে ক্রিজে রেখে ফেরেন তিনি।
পরের ওভারেই বিদায় নেন ইসাখিলও। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের বলে ছক্কা মারতে গিয়ে ক্যাচ দেন ১৯ বছর বয়সী এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটার। ৭টি চার ও ৫টি ছক্কায় সাজানো তার ইনিংসটি ছিল ৬০ বলে ৯২ রানের।
৩১ ম্যাচের স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে এটি ইসাখিলের সর্বোচ্চ ইনিংস।
টিএইচএ/
