চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস না পাওয়ায় লোহাগাড়ায় ফিলিং স্টেশন অচল

by Fatih Work

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় তীব্র আকার ধারণ করেছে এলপিজি অটোগ্যাসের সংকট। ফলে উপজেলার সাতটি ফিলিং স্টেশন কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। গত শুক্রবার রাত ১২ টার পর থেকে অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে ‘গ্যাস শেষ’ লেখা নোটিস ঝুলিয়ে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

গত কয়েকদিন ধরে দেশজুড়ে এলপিজি সংকট চললেও উপজেলায় সরবরাহ কিছুটা স্বাভাবিক ছিল। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় পরিস্থিতির চরম অবনতি হওয়ায় সংকটে পড়েছেন এ গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল হাজারো পরিবহন চালক।

বিজ্ঞাপন
banner

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চট্টগ্রাম জেলার দক্ষিণ চট্টগ্রামের কর্ণফুলি, পটিয়া, বাঁশখালী, চন্দনাইশ, সাতকানিয়া ও লোহাগাড়াসহ উপজেলা পর্যায়ের ফিলিং স্টেশনগুলোর কোথাও গ্যাস মিলছে না। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন পরিবহন চালক ও সাধারণ যাত্রীরা।

গত শনিবার বিকাল ৪ টার দিকে উপজেলার চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পার্শ্ববর্তী আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান কলেজের সামনে হাজী ওবায়দুল হোসাইন এলপিজি অটোগ্যাস ফিলিং স্টেশনে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গ্যাস না পেয়ে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে নিরাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছে নোহা মাইক্রোবাস, সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ এলপিজিচালিত বিভিন্ন যানবাহন।

সিএনজি অটোরিকশা চালক কালাম বলেন, “কয়েকদিন ধরে গ্যাস না পাওয়ায় খুব কষ্ট হচ্ছে। গ্যাস পাওয়ার আশায় সকাল থেকে দাঁড়িয়ে ছিলাম। আমার সিরিয়াল আসার আগেই ফিলিং স্টেশনে গ্যাস শেষ হয়ে গেছে। গ্যাস না পাওয়ায় গাড়ি নিয়ে কীভাবে বাড়ি পর্যন্ত যাবো, তা নিয়ে চিন্তায় আছি।”

এর আগে গত ১০ জানুয়ারি রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ এলপিজি অটোগ্যাস স্টেশন অ্যান্ড কনভার্শন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন জানায়, দেশে বর্তমানে ১ লাখ ৪০ হাজার টন এলপিজির চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে ১০ শতাংশ অর্থাৎ ১৫ হাজার টন এলপিজি অটোগ্যাস হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা সতর্ক করেন যে, সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে অটোগ্যাস শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে। তারা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের কাছে নিরবচ্ছিন্ন এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানান।

এমএআর/

এ জাতীয় আরো সংবাদ

প্রকাশক: আবু সায়েম খালেদ
পরিচালক: এইচ. এম. মুহিউদ্দিন খান
আসকান টাওয়ার, ৬ষ্ঠ তলা, ১৭৪ ধোলাইপাড়
যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪
ইমেইল: info@36news24.com
ফোন: 01401 400222