টানা ভারি বর্ষণে চট্টগ্রাম নগরীর বড় অংশ হাঁটু থেকে কোমর পানিতে তলিয়ে গেছে। ভয়াবহ জলাবদ্ধতায় নাকাল অবস্থায় নগরবাসী। পানিতে তলিয়ে গেছে মুরাদপুর, চকবাজার, কাতালগঞ্জ, বাকলিয়া, বাদুরতলা, জিইসি মোড়, ২ নম্বর গেট, ষোলশহর, আগ্রাবাদ হালিশহরের নিচু এলাকা। প্রর্বতক মোড় সড়ক ফের কোমর পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন নগরবাসী। সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল কমে যায়। এতে যাত্রীদের ভোগান্তি পোহাতে হয়। অনেকে বাড়তি ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যেতে বাধ্য হন।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল থেকে চট্টগ্রামে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হয়। বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে মুশলধারে বৃষ্টি শুরু হয় সাথে ছিল বজ্রপাত।
সরেজমিন দেখা গেছে, মুরাদপুর মোড় ও প্রবর্তক এলাকার সড়ক হাঁটু পানিতে তলিয়ে গেছে। কোথাও কোমর পানিতে ডুবে ছিল সড়ক। ধারনা করা হচ্ছে নগরীতে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কাজ চলছে। এতে বিভিন্ন স্থানে খাল নালার পানি দ্রুত নেমে যেতে পারছে না। পানি চলাচল ব্যাহত হওয়ায় দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা।
জলজটে বেশি দুর্ভোগে পড়েন এসএসসি পরীক্ষার্থীরা। পরীক্ষা শেষ হওয়ার আগ মুহূর্তে ভারি বর্ষণ শুরু হওয়ায় স্কুলেই অনেকে আটকা পড়েন। আবার স্কুল থেকে বের হয়ে বাসায় যাওয়ার সময় পথে আটকা পড়েন শিক্ষার্থী অভিভাবকরা।
দুপুর ১ টায় দেখা যায়, নগরীর খাজা রোড এলাকার এনএমসি স্কুলের সামনের অংশ পানিতে তলিয়ে গেছে। পরীক্ষার্থীরা হাঁটু পানিতে তলিয়ে যাওয়া স্কুল মাঠ পার হয়ে আসে গেটের সামনে।
আবু জাফর নামে এক অভিভাবক বলেন, স্কুল এলাকা প্রতি বছর বর্ষণের সময় হাঁটু পানিতে তলিয়ে যায়। আশপাশের খাল নালা সংস্কার না হওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এসএসসি পরীক্ষার সময় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহান শিক্ষার্থীরা।
এদিকে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানায়, মঙ্গলবার নগরীতে সকাল নয়টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। ভারি বর্ষণ আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকবে।
হাআমা/
