আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: পবিত্র কুরআনুল কারিমকে নিয়ে বহুমুখী সেবা দিয়ে আসছেন সৌদী বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ। কুরআন শিক্ষার প্রচার, প্রসার আর বিনামূল্যে কুরআন কপি বিতরণের ইতিহাস প্রাচীন। সৌদী বাদশাহ অনেক আন্তরিকতার সঙ্গে বহুবছর ধরে এ সেবা দিয়ে আসছেন। তাই সৌদি আরবে কুরআন হিফজ কার্যক্রমে দীর্ঘ ৬০ বছরেরও বেশি সময় ধরে পৃষ্ঠপোষকতা ও অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজকে বিশেষভাবে সম্মানিত করা হয়েছে।
এ উপলক্ষে বুধবার (১৩ মে) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে একটি প্রতিনিধি দল সৌদি আরবের যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমানের মাধ্যমে বাদশাহ সালমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও সম্মাননা প্রকাশ করে। অনুষ্ঠানে কুরআন হিফজ সংস্থাগুলোর ভূমিকা এবং ইসলামী শিক্ষার প্রসারে তাদের অবদানের বিষয়টি তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে বাদশাহ সালমানের পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত কুরআন হিফজ কার্যক্রমের ধারাবাহিক উন্নয়ন, কুরআনের শিক্ষা ও তাফসির প্রচার, এবং বিভিন্ন ভাষায় কুরআনের অনুবাদ বিতরণের উদ্যোগগুলোর প্রশংসা করা হয়।
এ সময় প্রতিনিধি দল যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমানের কাছে একটি বিশেষ সম্মাননা উপহার হস্তান্তর করে। এর মধ্যে ছিল একটি মর্যাদাপূর্ণ শিল্ড, হাতে লেখা পবিত্র কুরআনের কপি এবং রিয়াদের একটি হিফজ সংস্থার মাধ্যমে উপকৃত ২১ হাজারেরও বেশি হাফেজের নামসংবলিত একটি ফলক।
সৌদি প্রেস এজেন্সি (SPA) জানিয়েছে, এই আয়োজন কেবল একটি আনুষ্ঠানিক সম্মাননা নয়; বরং এটি সৌদি নেতৃত্বের দীর্ঘদিনের কুরআন ও ইসলামি শিক্ষার প্রতি অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
অনুষ্ঠানে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান দেশের বিভিন্ন কুরআন হিফজ সংস্থা ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের কাজের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এসব প্রতিষ্ঠান ইসলামি শিক্ষা বিস্তার, নৈতিক মূল্যবোধ গঠন এবং সমাজ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
সৌদি কর্তৃপক্ষের মতে, এই উদ্যোগগুলো শুধু ধর্মীয় শিক্ষার প্রসারই নয়, বরং বিশ্বজুড়ে ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর সেবায় সৌদি আরবের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করছে।
সূত্র: সৌদি গেজেট
