বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ গত ৬ জুলাই সাভারের তারাপুর ঈদগাহ মাঠে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর সমাবেশে সংঘটিত ন্যাক্কারজনক বিস্ফোরণের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
তিনি ঘটনায় আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং তাঁদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।
আজ মঙ্গলবার (৭ জুলাই) এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নাহিদ ইসলাম, সারজিস আলম ও আখতার হোসেনসহ তরুণ নেতৃত্ব দেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন। রাজনৈতিক মতপার্থক্য নির্বিশেষে তাঁদেরসহ দেশের প্রতিটি রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। সাভারের এ বিস্ফোরণ দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতাকেই স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।
তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে জুলাই বিপ্লব, এর নেতৃত্ব এবং জুলাই-যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে একটি মহল ও পরাজিত ফ্যাসিবাদের চিহ্নিত দোসরদের ধারাবাহিক কটাক্ষ, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এবং উসকানিমূলক প্রচারণা গভীর উদ্বেগের বিষয়।
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের অপপ্রচার ও উসকানির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
তিনি বলেন, “৭১-এর মুক্তিযুদ্ধকে কটাক্ষ করা এবং ‘২৪-এর জুলাই বিপ্লবকে কটাক্ষ করা একই মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ।
৭১-এর বিরোধিতাকারীরা যেমন বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে হৃদয়ে ধারণ করতে পারেনি, তেমনি ‘২৪-এর জুলাই বিপ্লবের বিরোধিতাকারীরাও এ দেশ থেকে ভারতীয় আধিপত্য খর্ব হওয়াকে মেনে নিতে পারছে না। তারা দেশের জনগণের গণ-আকাঙ্ক্ষাকেও ধারণ করতে পারছে না।
তিনি সাভারের বিস্ফোরণের ঘটনায় নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন, দায়ীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধেও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস কোনো ধরনের সহিংসতা, নাশকতা বা ভীতির রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। জাতীয় স্বার্থে নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও পরমতসহিষ্ণু রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার ও সকল রাজনৈতিক পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন
