যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ

by hsnalmahmud@gmail.com

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কোনো ইউনিট থেকেই বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে না। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দুই দিনের ব্যবধানে কেন্দ্রটির প্রথম ও তৃতীয় ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

ফলে ৫২৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন এই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে এখন জাতীয় গ্রিডে যোগ করতে পারছে না এক ইউনিট বিদ্যুতও।

বিজ্ঞাপন
banner

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ভোর ৫টা ৫ মিনিটে কেন্দ্রের তৃতীয় ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটির কবলে পড়ে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এর আগে সোমবার (৫ অক্টোবর) ভোর ৫টা ৫০ মিনিটে প্রথম ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। আর কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটটি ২০২০ সালের নভেম্বর মাস থেকে বন্ধ রয়েছে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে।

বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সোমবার সকাল ৬টা ২০ মিনিটে ১২৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন ১নং ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যায়। সেটি চালুর চেষ্টা চলছিল। এরই মধ্যে এক দিন পর মঙ্গলবার সকাল ৫টা ৫ মিনিটে সাব-স্টেশনের একটি ইক্যুইপমেন্ট নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ২৭৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন ৩নং ইউনিটটিও বন্ধ হয়ে যায়। ফলে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন।

আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, বন্ধ হয়ে যাওয়া ইউনিট দুটির যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামতে চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হারবিন ইন্টারন্যাশনালের একদল চীনা প্রকৌশলী কাজ শুরু করেছেন।

কর্তৃপক্ষ জানায়, উৎপাদন বন্ধ হওয়া ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার তৃতীয় ইউনিট থেকে প্রতিদিন ১৬০-১৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হতো। অন্যদিকে, ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্রথম ইউনিট থেকে প্রতিদিন ৫০-৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হতো।

এদিকে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার দ্বিতীয় ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ২০২০ সালের নভেম্বর মাস থেকে বন্ধ রয়েছে।

এ জাতীয় আরো সংবাদ

প্রকাশক: আবু সায়েম খালেদ
পরিচালক: এইচ. এম. মুহিউদ্দিন খান
আসকান টাওয়ার, ৬ষ্ঠ তলা, ১৭৪ ধোলাইপাড়
যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪
ইমেইল: info@36news24.com
ফোন: 01401 400222