জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলনের মাধ্যমে রাজপথে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পাঁচ মাসের মধ্যেই দেশ নানা সমস্যায় জর্জরিত হয়ে পড়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে ফেনীর একটি কনভেনশন সেন্টারে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ফেনী জেলা শাখা আয়োজিত তেল-বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদে ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ‘মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী নাগরিক সমাবেশ’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সরকারের সমালোচনা করে আল্লামা মামুনুল হক বলেন, ‘৭০ শতাংশ মানুষের গণরায়কে উপেক্ষা করে দেশকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। সে কারণেই আমরা রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছি।জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী আমরা সংবিধানের পূর্ণাঙ্গ সংস্কার চাই, কোনো আংশিক সংশোধন আমরা মানব না। দেশের মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছে, তাদের রায় নিয়ে তামাশা করা বন্ধ করতে হবে।’
রাজনৈতিকভাবে পরাজিত ও দণ্ডপ্রাপ্তদের প্রতিবেশী দেশ আশ্রয় এবং সুরক্ষা দিচ্ছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক না রেখে নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে সমর্থন জানানো দুঃখজনক।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ফেনী জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা নাজমুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন দলের নায়েবে আমির শাইখুল হাদিস মাওলানা আফজালুর রহমান, মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন ও মাওলানা তোফাজ্জল হোসাইন মিয়াজি।
আরও বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আবু সাঈদ নোমান ও মাওলানা এনামুল হক মুসা, কেন্দ্রীয় সহ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা জসিম উদ্দিন, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিস ফেনী জেলা সভাপতি শাহ মুহাম্মদ জুনায়েদ, বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ও ফেনী জেলা সভাপতি ইসহাক ভূঁইয়া প্রমুখ।
