ছাত্রদের মোবাইল না ছুঁয়ে ইলমে দ্বীনে মনোনিবেশের আহ্বান দেওবন্দ মুহতামিমের

সাইনবোর্ড মাদরাসায় মুফতি আবুল কাসেম নোমানী

by hsnalmahmud@gmail.com

বিশেষ প্রতিবেদক:: আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন ও সঠিক নিয়তের মাধ্যমে ইলমে দ্বীন অর্জনে নিজেদের উৎসর্গ করার জন্য তালিবে ইলমদের (শিক্ষার্থী) প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন দারুল উলুম দেওবন্দের মুহতামিম ও শাইখুল হাদিস মুফতি আবুল কাসেম নোমানী হাফিজাহুল্লাহ।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) মাগরিবের নামাজের পর নারায়ণগঞ্জ সাইনবোর্ডস্থ ‘জামিয়াতু ইব্রাহিম মাহমুদনগর’ মাদরাসায় আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত বয়ানে তিনি এ আহ্বান জানান।

বিজ্ঞাপন
banner

বয়ানে মুফতি আবুল কাসেম নোমানী বলেন, “রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর হাদিস অনুযায়ী মানুষ হয় আলিম, না হয় তালিবে ইলম, অথবা এদের ভালোবাসনেওয়ালা। আলহামদুলিল্লাহ, আজ আমরা এই তিনটি স্তরের মানুষই আল্লাহর ঘর মসজিদে এবং মাদরাসার পরিবেশে একত্রিত হতে পেরেছি।”

হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি আরও বলেন, “তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই সর্বোত্তম, যে কুরআন শিক্ষা করে এবং শিক্ষা দেয়। কুরআন বোঝা ও শেখার জন্য নাহু, সরফ, বালাগাতসহ যত শাস্ত্র রয়েছে—এমনকি নূরানী কায়দা থেকে শুরু করে জটিল মাসআলা ইস্তেনবাত (গবেষণা) পর্যন্ত সকল প্রচেষ্টাই দ্বীনের মহান খেদমতের আওতাভুক্ত। দুনিয়ার সবাই কোনো না কোনো জিনিসের পেছনে ছোটে, কিন্তু কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে ‘তালিব’ বা অন্বেষণকারী হিসেবে স্বীকৃতি পায় না; কেবল দ্বীনি শিক্ষা অর্জনকারীরাই এই মহান পরিচয়ে ভূষিত হন।”

শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা ও পড়াশোনার মান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দেওবন্দের মুহতামিম বলেন, “আজকাল অনেক শিক্ষার্থী গোপনে মোবাইল ব্যবহার করে। এটি তালিবে ইলমের জন্য মহা বিপদের কারণ। মোবাইল তাদের ইমান, আমল ও আখলাক ধ্বংস করে দেয়। তাই সফল হতে হলে সব ধরনের অহেতুক ব্যস্ততা ছেড়ে মাদরাসার নিয়ম-কানুন মেনে কেবল ইলমের জন্যই নিজেদের ওয়াকফ করতে হবে।”

বয়ান শেষে তিনি মক্তব থেকে শুরু করে বড় বড় দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে খেদমতে নিয়োজিত সকল আলেমদের সৌভাগ্যবান উল্লেখ করে তাঁদের মোবারকবাদ জানান এবং বিশ্ব মুসলিম ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ করেন।

এ জাতীয় আরো সংবাদ

প্রকাশক: আবু সায়েম খালেদ
পরিচালক: এইচ. এম. মুহিউদ্দিন খান
আসকান টাওয়ার, ৬ষ্ঠ তলা, ১৭৪ ধোলাইপাড়
যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪
ইমেইল: info@36news24.com
ফোন: 01401 400222