নিজস্ব প্রতিবেদক :: স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগে করা মামলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই ২০২৬) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুল ইসলাম শুনানি শেষে মামুনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে এক কোটি টাকা যৌতুক চেয়ে স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগে ভাটারা থানায় করা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় মামুনকে। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মামুনের স্ত্রী আতিকিয়া ফাইজাহ মোহনা বাদী হয়ে ভাটারা থানায় মামলাটি করেন। মামলার পর তাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।
এদিন আদালতে মামুনের পক্ষের আইনজীবী জামিন আবেদন করেন। তবে এসময় বাদীপক্ষে কোনো আইনজীবী ছিল না।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, মামলার বাদীনি মোহনা একজন ফ্যাশন মডেল। পাঁচ মাস আগে আসামি মামুনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে মনোমালিন্য হতো। এতে অভিযোগ করা হয়, ‘মামুন বিভিন্ন বয়স্ক মহিলার সঙ্গে পরকিয়ায় লিপ্ত এবং নেশায় আসক্ত। মোহনা তাকে কিছু জিজ্ঞাসা করলেই মারধর করে। বিবাহের পর থেকেই তিনি দোকান দেয়ার জন্য তার কাছে এক কোটি টাকা যৌতুক দাবি করেন। তবে টাকা দিতে অস্বীকার করলে মোহনাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে মামুন। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ভাটারা থানাধীন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার মোহনার বাসায় মামুন নেশাগ্রস্থ অবস্থায় এসে এক কোটি টাকা যৌতুক দাবি করেন। মোহনাকে তার পিতার-মাতার বাড়ি থেকে এই টাকা এনে দিতে বলেন মামুন। তবে মোহনা অস্বীকৃতি জানালে, তার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মামুন উত্তেজিত হয়ে তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করাসহ এলোপাথারী কিল ঘুষি ও লাথি মারতে থাকেন। মারধরের সময় তার গলা চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করে। এতে তার বাম চোখের নিচে রক্তাক্ত জখম হয় এবং ডান কানে নীলাফুলা জখমসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারপিট করে আহত করা হয়।’
