ইরানের গৃহমন্ত্রী এসকান্দার মোমেনি আফগানিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক সম্প্রসারণ ও শক্তিশালী করার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন, দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় বন্ধনের ওপর গুরুত্বারোপ করে।
বুধবার (৩০ অক্টোবর) তেহরানে আফগানিস্তানের নিরাপত্তা বিষয়ক সিনিয়র উপ-মন্ত্রী মোহাম্মদ ইব্রাহিম সদরের সঙ্গে বৈঠকে মোমেনি বলেন, দুই “ভ্রাতৃত্বপূর্ণ ও প্রতিবেশী” দেশের সম্পর্ক স্থায়ীভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
আফগানিস্তানের প্রতিনিধি দল, সদরের নেতৃত্বে, ইকোনমিক কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (ECO)-এর গৃহমন্ত্রীর চতুর্থ বৈঠকে অংশ নিতে তেহরান সফর করেছে। বৈঠকে আঞ্চলিক বিভিন্ন দেশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মোমেনি আফগানিস্তানের প্রশংসা করেন, যারা সম্প্রতি ইরানি ভূখণ্ডে জায়োনিস্ট হামলার নিন্দা জানিয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে চলমান সমস্যা সমাধানে সংলাপের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি বলেন, “ইরান ও আফগানিস্তান শুধু সীমান্তই ভাগাভাগি করেনি, বরং শতাব্দী ধরে সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় মিলও রয়েছে। আমরা নিরাপত্তা, যানবাহন পরিচালনা ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করতে প্রস্তুত, যাতে আরও স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধশালী আঞ্চলিক পরিবেশ তৈরি করা যায়।”
অপরদিকে, সদর ইরানকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ECO মন্ত্রীসভায় আফগানিস্তানকে আয়োজন করার পাশাপাশি কঠিন সময়ে দেশটির পাশে থাকার জন্য। তিনি বলেন, “ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান সবসময় আফগানিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছে।”
সদর আরও উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের দখল আফগানিস্তানে ধ্বংস ও কষ্ট ছাড়া আর কিছু বয়ে আনেনি, যা দেশের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলেছে।
বৈঠক শেষে উভয় পক্ষ সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও গভীর করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে, যা আগামি মাসগুলোতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক শক্তিশালী করার ইঙ্গিত দেয়।
অনুবাদ: আব্দুল্লাহ কাসিম আজওয়াদ
হাআমা/
