পাকিস্তানের জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির সিরাজুল হক বলেছেন, পাকিস্তান ও খাইবার পাখতুনখাওয়ার জনগণ কাবুল ও ইসলামাবাদের মধ্যে কোনো যুদ্ধ চায় না।
তিনি পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের সতর্ক করে বলেন, আফগানিস্তানের সঙ্গে সংঘাত হলে তা যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ ও আকাঙ্ক্ষাকেই পূরণ করবে।
সিরাজুল হক দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র দুই দেশের মধ্যে সংঘাত উসকে দিচ্ছে, যাতে তারা আবারও বাগরাম বিমানঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে পারে।
তিনি বলেন, ‘আমি পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী ও যুদ্ধের কথা বলা মন্ত্রীদের বলি—আরেকটি তোরা বোরার কথা বলা আসলে আমেরিকারই চাওয়া। আফগানিস্তান ও পাকিস্তানকে সংঘাতে জড়ানো [সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট] ট্রাম্পের সময় নেওয়া একটি সিদ্ধান্ত।’
দুই দেশের মধ্যে চলমান ও অমীমাংসিত উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
এদিকে, কয়েকজন রাজনৈতিক বিশ্লেষকও এই অঞ্চলে অবিশ্বাস সৃষ্টির জন্য পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে দায়ী করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক মোহাম্মদ আসলাম দানিশমাল বলেন, ‘এই অঞ্চলে অবিশ্বাসের একমাত্র উৎস হলো পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী। তারা ভারত, আফগানিস্তান, ইরান, রাশিয়া ও চীনের স্বার্থকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।’
রাজনৈতিক বিশ্লেষক নাজিবুর রহমান শামাল বলেন, ‘পাকিস্তান মূলত তাদের সামরিক ও সশস্ত্র বাহিনীর প্রভাবাধীন। এই অঞ্চলে চলমান অস্থিরতা ও নিরাপত্তাহীনতা আরও উত্তেজনাই সৃষ্টি করবে।’
এর আগে আফগানিস্তানের ইমারাতে ইসলামিয়াও জানিয়েছিল, পাকিস্তানের কিছু সামরিক মহল আফগানিস্তানে একটি শক্তিশালী ও স্থিতিশীল কেন্দ্রীয় সরকার দেখতে চায় না এবং বিভিন্ন অজুহাতে কাবুল ও ইসলামাবাদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে।- সূত্র: টোলোনিউজ
অনুবাদ: আব্দুল্লাহ কাসিম আজওয়াদ
হাআমা/
