ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সংসদ সদস্য ও নবগঠিত মন্ত্রিপরিষদের শপথ অনুষ্ঠানে সভাপতির পদে কে আসছেন তা নিয়ে সবার মনে তৈরি হয়েছে কৌতূহল। সবার একই প্রশ্ন—বিদায়ি স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে কে বসবেন সভাপতির আসনে?
সংসদীয় রীতি অনুযায়ী, নতুন সংসদের প্রথম বৈঠক পরিচালনা করেন বিদায়ি সংসদের স্পিকার। কিন্তু দ্বাদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ইতোমধ্যে পদত্যাগ করেছেন।
অন্যদিকে ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু বর্তমানে কারাবন্দি।
এমনকি গত সংসদের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যরাও বর্তমানে কার্যত অনুপস্থিত। এই ত্রিবিধ শূন্যতায় প্রথম অধিবেশনের শুরু কে করবেন, তা নিয়ে আইনি ব্যাখ্যা সামনে এসেছে।
সংবিধানের ৭৪(৩) অনুচ্ছেদ এবং সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ১২(২) ধারা অনুযায়ী এই সংকটের সমাধান নির্ধারিত। বিধি অনুযায়ী- যদি স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার উভয়ের পদই শূন্য থাকে, তবে সংসদ সচিব বিষয়টি সংসদকে অবহিত করবেন।
অধিবেশনের শুরুতে উপস্থিত সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে একজনকে ওই বৈঠকের সভাপতিত্ব করার জন্য প্রস্তাব করা হবে। সদস্যদের কণ্ঠভোটে নির্বাচিত সেই অস্থায়ী সভাপতির অধীনেই নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
সাধারণত এই ধরনের পরিস্থিতিতে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মধ্যে যিনি বয়োজ্যেষ্ঠ অথবা যার সংসদীয় অভিজ্ঞতা সবচেয়ে বেশি, তাকেই সাময়িকভাবে সভার কার্যপরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়। তার সভাপতিত্বেই নতুন স্পিকারের নাম প্রস্তাব ও সমর্থন করা হবে।
নবনির্বাচিত স্পিকার শপথ গ্রহণের পর সরাসরি সভাপতির আসনে আসীন হবেন এবং পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
হাআমা/
