তিন সংস্করণেই বাংলাদেশের হয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন লিটন কুমার দাস। তবে পূর্ণ মেয়াদে দায়িত্ব পেয়েছেন শুধু টি-টোয়েন্টি সংস্করণে। তাঁর অধিনায়কত্বে শেষ চারটি সিরিজেই জিতেছে বাংলাদেশ, এশিয়া কাপেও ফাইনালের দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছিল দল। তাই বলা যায়, লিটনের নেতৃত্বে টি-টোয়েন্টি দল এখন আত্মবিশ্বাসী ও ধারাবাহিকভাবে সফল।
বাংলাদেশের টেস্ট দলেরও নিয়মিত সদস্য লিটন। নাজমুল হোসেন শান্ত টেস্ট অধিনায়কত্ব ছাড়ার পর নতুন অধিনায়ক নির্বাচনের আলোচনা শুরু হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি)। আগামী মাসের শুরুতে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের আগে নতুন নেতৃত্ব নির্ধারণ করতে হবে বোর্ডকে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরুর আগের সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে লিটন বলেন,
এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। তাঁরা যদি যোগ্য মনে করেন, অবশ্যই আমার সঙ্গে কথা বলবেন। দেখা যাক, কী সিদ্ধান্ত হয়।
২০২৩ সালে সাকিব আল হাসান চোট পাওয়ার পর আফগানিস্তানের বিপক্ষে এক ম্যাচে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন লিটন দাস। সেই ম্যাচে রেকর্ড ৫৪৬ রানে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। যদিও সে বছরের শেষ দিকে স্থায়ী নেতৃত্বের দায়িত্ব পান নাজমুল হোসেন শান্ত।
নতুন করে টেস্ট অধিনায়কত্বের সুযোগ এলে তা নিতে আগ্রহী লিটন দাস। তাঁর ভাষায়,
খেলোয়াড় হিসেবে টেস্ট অধিনায়কত্ব পাওয়া অনেক বড় সম্মানের বিষয়। আমার মনে হয় না, কেউ এটা ‘না’ করবে। তবে এখনো তাদের (বিসিবি) পক্ষ থেকে আমাকে কিছু জানানো হয়নি।
টি-টোয়েন্টিতে ধারাবাহিক সফলতা, ঠান্ডা মাথার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এবং দলের প্রতি নিবেদিত মনোভাব—সব মিলিয়ে লিটন দাস এখন বাংলাদেশের টেস্ট দলের নেতৃত্বের দৌড়েও অন্যতম শীর্ষ প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
টিএইচএ/
