হামজা ৯০ মিনিট খেললে কঠিন হতো: হরি খাড়কা

by Fatih Work

শেষ মুহূর্তের গোল হজমে বদলে গেল ম্যাচের দৃশ্যপট। জয় একপ্রকার নিশ্চিত হয়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত নেপালের সঙ্গে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই সন্তুষ্ট থাকতে হলো বাংলাদেশকে। বৃহস্পতিবার রাতে পল্টনের জাতীয় স্টেডিয়ামে ফিফা প্রীতি ম্যাচে হাভিয়ের কাবরেরার দল ২-২ গোলে ড্র করে।

২৯ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। তবে বিরতির ঠিক আগে ৪৬ মিনিটে দলকে সমতায় ফেরান হামজা চৌধুরী। এর তিন মিনিট পর পেনাল্টি থেকে নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোল করে বাংলাদেশকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে নেন এই মিডফিল্ডার। লিড ধরে রাখতে ৮০ মিনিটের দিকে তাকে মাঠ থেকে তুলে নেন কোচ কাবরেরা।

বিজ্ঞাপন
banner

হামজার বিদায়ের পরই যেন নতুন উদ্যমে আক্রমণে ওঠে নেপাল। শেষ ১০ মিনিটে একের পর এক আক্রমণে বাংলাদেশের রক্ষণভাগকে চাপে ফেলে তারা। যোগ করা সময়ের ৪ মিনিটে শেষপর্যন্ত সমতার গোল তুলে নেয় অতিথিরা। ফলে জয় হাতছাড়া হয়ে ড্র-তেই সন্তুষ্ট থাকতে হয় লাল-সবুজদের।

ম্যাচ শেষে বাংলাদেশের দুর্বল রক্ষণভাগ এবং গোলকিপার মিতুল মারমার পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে উল্টো প্রশংসা কুড়িয়েছেন দুই গোলদাতা হামজা চৌধুরী। অনেকেরই ধারণা, তিনি মাঠে থাকলে ফল ভিন্ন হতে পারত।

সংবাদ সম্মেলনে নেপালের কোচ হরি খাড়কা বলেন,
“হামজাকে উঠিয়ে নেওয়া কোচের সিদ্ধান্ত। তবে সে খেললে আমাদের জন্য পরিস্থিতি কঠিন হতো। গোল হজমের পর আমরা পরিকল্পনা বদলাই, সুযোগ তৈরি করি এবং শেষ পর্যন্ত গোলও পাই।”

৭৯ মিনিটে হামজাকে মাঠে সুশ্রুষা নিতে দেখা যায়। তবে বাংলাদেশ কোচ জানান,
“হামজাকে নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। সে ভারত ম্যাচেও খেলতে পারবে।”

শেষ মুহূর্তে গোল হজম বাংলাদেশ দলের জন্য যেন নিয়মিত ঘটনা হয়ে উঠেছে—এমন প্রশ্নে কাবরেরা বলেন,
“এটা ঘটতেই পারে। আমরা ম্যাচের ভিডিও দেখব। ভারতের বিপক্ষে তিন পয়েন্টের লক্ষ্যেই নামব।”

নেপালের বিপক্ষে ড্র মেনে নিতে পারছেন না বাংলাদেশ কোচ। সংবাদ সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট করেন,
“আমি খেলোয়াড়দের ১০০ বার শিখিয়েছি, তবুও তারা কেন পারে না—তা আমারও জানা নেই।”

টিএইচএ/

এ জাতীয় আরো সংবাদ

প্রকাশক: আবু সায়েম খালেদ
পরিচালক: এইচ. এম. মুহিউদ্দিন খান
আসকান টাওয়ার, ৬ষ্ঠ তলা, ১৭৪ ধোলাইপাড়
যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪
ইমেইল: info@36news24.com
ফোন: 01401 400222