দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর এককভাবে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামীকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন। ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রাক্কালে নতুন প্রধানমন্ত্রীর আবাসস্থল নিয়েও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’কেই নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসেবে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ‘যমুনা’ ছেড়ে যাওয়ার পর ভবনটি প্রয়োজনীয় সংস্কার করে নতুন প্রধানমন্ত্রীর জন্য প্রস্তুত করা হবে। এর আগে বিগত সরকারের কেন্দ্রবিন্দু ‘গণভবন’কে জাদুঘরে রূপান্তরের নীতিগত সিদ্ধান্তের কারণে নতুন প্রধানমন্ত্রীর জন্য বিকল্প বাসভবন খোঁজা শুরু হয়। এই লক্ষ্যে গঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি শেরেবাংলা নগরের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সংলগ্ন এলাকাগুলো পরিদর্শন ও বিবেচনা করেছিল। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ভার নির্বাচিত সরকারের ওপরই ছেড়ে দিয়েছিল উপদেষ্টা পরিষদ।
সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এবং নিরাপত্তা ও প্রটোকল সুবিধা নিশ্চিত করতে শেষ পর্যন্ত ‘যমুনা’কেই বেছে নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টারাও এই ভবনটি ব্যবহার করেছিলেন। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের পর থেকেই নতুন সরকারের প্রশাসনিক ও রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমের মূল কেন্দ্রবিন্দু হতে যাচ্ছে এই ভবনটি। নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের এই অভিষেক ঘিরে দেশজুড়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে।
টিএইচএ/
