যাকাত ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত। মহান আল্লাহর পবিত্র বিধান। সমাজে দারিদ্র্য বিমোচন ও সাম্য প্রতিষ্ঠায় যাকাতের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। এই বিধানকে অবজ্ঞা বা বিদ্রূপ করে কোনো বক্তব্যই গ্রহণযোগ্য নয়।
সম্প্রতি যাকাত নিয়ে অবমাননাকর বক্তব্য দেওয়ায় বিএনপির মহিলা নেত্রী নিলুফার চৌধুরী মনিরের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জাতীয় ইমাম পরিষদ বাংলাদেশের সভাপতি, ঢাকা গাউসিয়া মার্কেট জামে মসজিদের খতীব ও মারকাযুল উলূম খুলনার মুহতামিম মুফতী আবদুল্লাহ ইয়াহইয়া।
রবিবার (৩ মে ২০২৬) বাদ মাগরিব মারকাযুল উলূম খুলনায় জাতীয় ইমাম পরিষদ খুলনা মহানগর শাখার নেতৃবৃন্দের সাথে এক জরুরি বৈঠকে তিনি এ সব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, জনজীবন বিপর্যস্তকারী সমাজের বিষফোঁড়া চাঁদাবাজিকে যাকাতের সাথে তুলনা করে তার এই বক্তব্য মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে । মতপ্রকাশের স্বাধীনতা কখনোই ধর্মীয় বিশ্বাস ও মহান ইবাদতকে অবমাননা করার অধিকার দেয় না। বরং এ ধরনের বক্তব্য সমাজকে বিভ্রান্তি করে, বিদ্বেষ ও অশান্তি সৃষ্টি করে।
উক্ত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুফতী শরীফ মাশহুদুর রহমান, মুফতী মানযুর আহমাদ, মুফতী জাকির হুসাইন, মুফতী রবিউল ইসলাম রাফে, মাওলানা শাইখুল ইসলাম বিন হাসান, মুফতী রকিব উদ্দিন, মুফতী জুনাইদ আহমাদ, মাওলানা নেসার আহমাদ, মুফতী আবদুল্লাহ রাশেদ, মুফতী ইব্রাহীম খলীল, মুফতী হুমায়ূন কবীর, মুফতী আবদুল্লাহ মুখতার, হাফেজ জাফর আহমাদ, মাওলানা ইকবাল হুসাইন, মাওলানা ইখলাসুর রহমান প্রমুখ
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ইমাম পরিষদ সভাপতি বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকার শেখ হাসিনা হজ্জকে অবমাননা ও অবজ্ঞা করে কথা বলায় লতীফ সিদ্দিকীকে তাঁর মন্ত্রী পরিষদ থেকে বহিষ্কার করেছিল। সুতরাং বিএনপির এই নেত্রী যদি তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিঃশর্ত ক্ষমা না চায় তাহলে তাকে অবশ্যই দল থেকে বহিষ্কার করতে হবে অন্যথা আলেম সমাজ ও ধর্মপ্রাণ মুসলমান মাঠে নামতে বাধ্য হবে।
হাআমা/
