ভালো মন্দ বাছাই কিংবা প্রভাব তো অন্য তর্ক, কিন্তু তারা তো তাদের কাজটাই করবে। ঠিক আছে করুক, কিন্তু এখান থেকে অন্য একটি বিষয়ের ভাবনা সাজিয়ে নেওয়া যেতে পারে। বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র যেমন বই পড়া অভ্যাস গড়ে তোলার প্রোগ্রাম শুরু করবে, ঠিক তেমনি কিংবা তার চেয়ে আরো গোছালো পরিপাটি করে স্কুলে স্কুলে আফটার স্কুল মাকতাবের ব্যবস্থাপনা চালুর উদ্যোগ ব্যাপকভাবে নেওয়া দরকার। এটা করার চেষ্টা করতে হবে সমাজের দ্বীনদার বিত্তবান শ্রেণীর সহযোগিতায় এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোগে।
কারণ সরকারকে এ জাতীয় উদ্যোগের কথা বললে মনোযোগ দেবে না। আর ভাগ্যক্রমে মনোযোগ দিলেও সেটা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কোনো একটা বারান্দা প্রজেক্টের ছায়া হিসেবে যুক্ত করে দেবে, যেটা তিন মাস চললে নয় মাস বন্ধ থাকবে। পরে বাজেট আন্দোলন প্রকল্প ইত্যাদি গোলকধাঁধায় হারিয়ে যাবে।
আফটার স্কুল মাকতাব একইসঙ্গে দ্বীন, নৈতিকতা এবং সৎ জীবন ও পাঠের সমন্বিত চর্চার জগত খুলে দেবে। যারা এটা নিয়ে কাজ করছেন তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে দেশের দ্বীনদার উদ্যোগী বিত্তবানেরা স্কুল কলেজ পর্যায়ে মহান কাজটি এগিয়ে নেওয়ার ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারেন। আর চাইলে সরকার কিংবা সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের (শিক্ষা /সংস্কৃতি/ধর্ম) লোকেরাও এদিকটায় মনোযোগ দিতে পারেন; যদি তাদেরও ভালো কিছু করতে মন চায়! যদি ভালো কিছু করা হয়েই যায়! অসুবিধা কি।
লেখক : কথা সাহিত্যিক
টিএইচএ/
