সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা বন্দরে ড্রোন হামলায় তেল স্থাপনায় আগুন লাগার ঘটনার সাথে কোনো ধরনের সম্পৃক্ততার খবর অস্বীকার করেছে ইরান। দেশটির একজন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই হামলা ইরানের পূর্বপরিকল্পিত ছিল না। বরং এই পরিস্থিতির জন্য তিনি মার্কিন সামরিক বাহিনীর ‘দুঃসাহসিকতাকে’ দায়ী করেছেন।
মঙ্গলবার ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা আইআরআইবিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি দাবি করেন, হরমুজ প্রণালির সংরক্ষিত জলপথ দিয়ে অবৈধভাবে জাহাজ চলাচলের পথ তৈরি করতেই যুক্তরাষ্ট্র এই ধরনের অস্থিরতা তৈরি করছে।
ইরানি ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনীকে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। সংবেদনশীল তেল সমৃদ্ধ অঞ্চলে শক্তির প্রয়োগ এবং কূটনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত কর্মকাণ্ড বিশ্ব অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এদিকে, ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় সতর্ক করে বলেছেন যে, হরমুজ প্রণালিতে একটি ‘নতুন সমীকরণ’ তৈরি হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা নৌ-নিরাপত্তা এবং জ্বালানি পরিবহনকে হুমকির মুখে ফেলেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইরান এখনো বড় কোনো পাল্টা ব্যবস্থা শুরুই করেনি এবং বর্তমান পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য দীর্ঘমেয়াদে অসহনীয় হয়ে উঠবে।
টিএইচএ/
