টানা বৃষ্টি ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল থেকে পানি বাড়তে শুরু করে এবং বেলা ১১টায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ০৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত রেকর্ড করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে তিস্তা ব্যারাজের সব অর্থাৎ ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকাল ৯টায় তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পরবর্তীতে বেলা ১১টায় তা কিছুটা কমে বিপৎসীমার ০৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে থাকে। এই পানির লেভেল পরিমাপক নুরুল ইসলাম জানান, সকাল থেকেই নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেতে শুরু করে।
এদিকে তিস্তার পানি বাড়ায় হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী, দোয়ানী, সানিয়াজান ইউনিয়নের নিজ শেখ সুন্দর, বাঘের চর, সিঙ্গামারি ইউনিয়নের ধুবনী, সিন্দুর্না, পাটিকাপাড়া এবং ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়নের তিস্তা নদী তীরবর্তী চরাঞ্চলের বাদামক্ষেত, ধানের বীজতলা ও মিষ্টিকুমড়াসহ বিভিন্ন ফসলের জমিতে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। এতে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ফসলহানির শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট সম্পূর্ণ খুলে রাখা হয়েছে। নদীর তীরবর্তী এলাকার মানুষকে যেকোনো ধরনের ঝুঁকি এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
টিএইচএ/
