এশিয়া কাপের সুপার ফোরে আজ ভারতের বিপক্ষে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ। ফাইনালে পৌঁছানোর সমীকরণে এই ম্যাচ দুই দলের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে এমন চাপের ম্যাচেও টিম টাইগার চাইছে ইতিবাচক থেকে খেলতে—বলছেন হেড কোচ ফিল সিমন্স।
ভারতের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে ঘিরে চারপাশে তৈরি হওয়া উত্তেজনা ও আলোচনাকে বাংলাদেশ দল অনুপ্রেরণার রূপেই দেখছে। ম্যাচের আগের দিন সিমন্স বলেন,
‘প্রতিটি ম্যাচেই কিছু না কিছু হাইপ থাকে। তবে ভারত যখন প্রতিপক্ষ, তখন সেটা আরও বেড়ে যায়। তারা বিশ্বের এক নম্বর টি–টোয়েন্টি দল। আমাদের কাজ হলো এই হাইপ উপভোগ করা এবং মাঠে সর্বোচ্চটা দেওয়া।’
গ্রুপ পর্বে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হারের পর একাদশে পরিবর্তন এনেছিলেন কোচ। তরুণ সাইফ হাসানকে সুযোগ দিয়ে তাঁর অনুশীলনের পারফরম্যান্সের প্রতি আস্থা রেখেছিলেন তিনি। আস্থার প্রতিদানও মিলেছে—সাইফ খেলেছেন ৬১ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস। প্রতিপক্ষ ও ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী একাদশে বদলের সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধা নেই সিমন্সের। যেমন, কখনও নুরুল হাসানের জায়গায় মেহেদি হাসান, আবার কখনও রিশাদ হোসেনের বদলে শরিফুল ইসলাম সুযোগ পেয়েছেন। সিমন্স বলেন, ‘প্রত্যেকেরই সুযোগ আছে। কখনও এক ম্যাচে ভালো খেললেও পরের ম্যাচে টিম কম্বিনেশনের কারণে বাদ পড়তে হতে পারে। এটা কঠিন, কিন্তু দলের ভারসাম্যটাই আসল বিষয়।’
বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণেও চলছে ঘন ঘন পরিবর্তন ও ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট। তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলাম এবং তানজিম সাকিবদের পর্যায়ক্রমে ব্যবহার করা হচ্ছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতের পেস অস্ত্র নাহিদ রানাকে নিয়ে চলছে বিশেষ পরিকল্পনা। যদিও ভারতের বিপক্ষে টি–টোয়েন্টি রেকর্ড খুব একটা আশাব্যঞ্জক নয়—মোট ১৭ ম্যাচে জয় মাত্র একটিতে। তবুও বাংলাদেশ শিবিরে আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি নেই। সিমন্স মনে করেন, ‘ক্রিকেট এক দিনের খেলা। যদি সুযোগ কাজে লাগাতে পারি, আমরাও জিততে পারব।’ সব মিলিয়ে ফাইনালের পথে এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়েই আজ দুবাইয়ে ভারতের মুখোমুখি হবে লাল-সবুজের বাংলাদেশ।
টিএইচএ/
