সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার বিভিন্ন বাজারে লেবু প্রতি হালি ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছিল। তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) উপস্থিতিতেই সেই লেবুর দাম নেমে আসে ৪০ টাকায়।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে পৌরসভার মধ্যবাজারে এ ঘটনা ঘটে।
রমজানকে সামনে রেখে পৌর সদরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ইচ্ছেমতো দাম বাড়িয়ে লেবু বিক্রি করছিলেন।
এ প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সনজীব সরকার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। অভিযানে লেবুর দামে ব্যাপক অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। ইউএনও দাম জানতে চাইলে যে লেবু ১২০ টাকা হালি বিক্রি করা হচ্ছিল, তাৎক্ষণিকভাবে সেই দাম কমিয়ে ৪০ টাকা করা হয়।
প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে ব্যবসায়ীরা সঙ্গে সঙ্গে দাম কমাতে বাধ্য হন। এ সময় সাধারণ ক্রেতারা কম দামে লেবু কিনতে দোকানে ভিড় করেন।
স্থানীয় ক্রেতা মুজিবুর রহমান জানান, আগের দিন তিনি দুটি লেবু ৫০ টাকায় কিনেছেন। ১০ টাকা কম দেওয়ার অনুরোধ করলেও দোকানদার এক টাকাও কমাননি। বাধ্য হয়ে ৫০ টাকাই পরিশোধ করতে হয়েছে।
মুসলেম উদ্দিন ও রুবেল আহমদ অভিযোগ করে বলেন, যে দোকানে ইউএনও অভিযান চালান, সেখান থেকেই তারা ১২০ টাকা হালি দরে লেবু কিনেছেন।
পাবেল আহমদ বলেন, ইউএনও আসার মাত্র ১৫ মিনিট আগে তিনি একই দোকান থেকে ১২০ টাকায় এক হালি লেবু কিনেছিলেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সনজীব সরকার বলেন, “বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি কিংবা অতিরিক্ত মূল্য আদায় সহ্য করা হবে না। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
এমএআর/
