জুলাই বিপ্লবের শাহাদাত বরণকারীদের ন্যায় পিলখানার ঘটনায় নিহত বিডিআর সদস্যদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদান, পিলখানা হত্যাকাণ্ডে দণ্ডিত বিডিআর সদস্যদের মুক্তি, মিথ্যা মামলা বাতিল, চাকরিচ্যূতদের পুনর্বহাল ও পুনর্বাসন এবং পিলখানা হত্যা মামলা পুনঃ তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অন্যতম প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন।
অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন বলেন, পীর সাহেব চরমোনাই’র নির্দেশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বিডিআর সদস্যদের দাবির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করছে।
আজ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা বিডিআর সদস্যদের কর্মসূচিতে একাত্মতা প্রকাশ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই’র পক্ষে প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন বলেন, পিলখানায় কথিত বিডিআর বিদ্রোহের নামে সেনা অফিসারদের হত্যা এবং বিডিআর – এর মত একটি সুশৃঙ্খল ও সাহসি বাহিনীকে বিপর্যস্ত করা ছিল একটি দেশবিরোধী গভীর ষড়যন্ত্র। বিডিআর সদস্যরা ছিলেন ষড়যন্ত্রের শিকার। অতএব বিডিআর সদস্যদের উপরে যে জুলুম চলছে তা অতি দ্রুত বন্ধ করতে হবে। বিনা বিচারে আটকদের মুক্তি দিতে হবে। নির্যাতিতদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। বিনা অপরাধে যাদেরকে হত্যা করা হয়েছে তাদের বিষয়ে তার পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। তিনি অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন বিষয়টি দ্রুত সময়ের মধ্যে সুরাহা করতে হবে।
তিনি বলেন, বিডিআর সদস্যদের দাবি বাস্তবায়নে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন নেতৃবৃন্দ ও সরকারের উপদেষ্টারা যদি কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ না করেন তবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ অবহেলিত বিডিআর সদস্যদের পক্ষে রাজপথে নামতে বাধ্য হবে।
আশরাফ আলী আকন বলেন, অতিতে ভারতের দালাল সরকার সেনাবাহিনী এবং বিডিআরকে সবসময় দুর্বল করতে চেয়েছে।
বিডিআর সদস্যদের কর্মসূচিতে দলের পক্ষ থেকে শাহবাগে আরো বক্তব্য রাখেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম।
উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কৃষি ও শ্রম বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব আবদুর রহমান ও ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের সেক্রেটারী জেনারেল আলহাজ্ব কে এম বিল্লাল।
