এশিয়া কাপে বাংলাদেশের শিরোপা জেতা এখন আকাশ কুশুম স্বপ্ন। সুপার ফোরে পা রাখাটাই এখন বেশ কঠিন হয়ে গেল লিটন দাসের দলের। শুরু থেকেই এশিয়ার সুপার ফোরে খেলার লক্ষ্য নির্ধারিত ছিল, কিন্তু শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ৬ উইকেটে হারের পর সেই লক্ষ্যও এখন ঝুঁকির মুখে। আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শনিবার রাতে ৩২ বল হাতে রেখেও শ্রীলঙ্কার কাছে হার মানতে হলো বাংলাদেশকে।
প্রথমে ব্যাট করে ভয়াবহ অবস্থায় পড়ে বাংলাদেশ। শুরুতেই দুই ওপেনার তানজিদ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমন শূন্য রানে ফিরলে দল পড়ে যায় চাপে। টপ অর্ডারের ব্যর্থতায় ১০ ওভারের মধ্যেই ৫৩ রানে ৫ উইকেট হারায় টাইগাররা। অধিনায়ক লিটন দাস কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও তিনিও সাজঘরে ফেরেন হাসারাঙ্গার বলে।
এরপর জাকের আলী (৪১*) আর শামীম হোসেন (৪২*) ষষ্ঠ উইকেটে ৮৬ রানের জুটি গড়ে কোনোভাবে দলকে টেনে নিয়ে যান লড়াই করার মতো অবস্থানে। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৩৯ রান।
বাংলাদেশের হয়ে শেখ মেহেদী হাসান ২টি উইকেট নেন, মোস্তাফিজ ও তানজিম একটি করে শিকার করেন। তবে শুরুর সেই ভয়াবহ ব্যাটিং ধস আর কাটিয়ে উঠতে পারেনি টাইগাররা।
এই হারের ফলে বাংলাদেশের নেট রান রেট এখন -০.৬৫০, যা গ্রুপের শীর্ষে থাকা আফগানিস্তান (+৪.৭০০) ও শ্রীলঙ্কার (+২.৫৯৫) থেকে অনেক পিছিয়ে। ২ ম্যাচে ২ পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশের সুপার ফোরে উঠার সম্ভাবনা এখন কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পরবর্তী ম্যাচ বাংলাদেশকে শুধুমাত্র জিততেই হবে না, বড় ব্যবধানে জিততে হবে যেন নেট রান রেটের উন্নতি হয়। না হলে এশিয়ার বড় আসর থেকে বিদায় নিতে হতে পারে টাইগারদের।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ১৩৯/৫ (শামীম ৪২*, জাকের ৪১*, লিটন ২৮; হাসারাঙ্গা ২/২৫, তুষারা ১/১৭, চামিরা ১/১৭)।
শ্রীলঙ্কা: ১৪.৪ ওভারে ১৪০/৪ (নিশাঙ্কা ৫০, মিশারা ৪৬*; মেহেদী ২/২৯, তানজিম ১/২৩, মুস্তাফিজ ১/৩৫)।
ফল: শ্রীলঙ্কা ৬ উইকেটে জয়ী।
ম্যাচসেরা: কামিল মিশারা।
টিএইচএ/
