আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি কৃষিপণ্যের প্রসারে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে ভিয়েতনাম সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ থেকে আলু আমদানির অনুমোদন দিয়েছে।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৭ মার্চ) ভিয়েতনামের কৃষি ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় এই বাজার উন্মুক্ত করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বলে জানিয়েছে হ্যানয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস। ভিয়েতনামের আমদানিনীতি অনুযায়ী, কোনো দেশ আলু রপ্তানি করতে চাইলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কঠিন সব কারিগরি ও আইনি যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। ২০২৫ সালের মে মাসে বাংলাদেশ দূতাবাস, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত প্রচেষ্টায় এই নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল, যা সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর আজ থেকে বাংলাদেশ দেশটিতে আলু রপ্তানির যোগ্যতা অর্জন করল।
ভিয়েতনামে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ লুৎফর রহমান এই সাফল্যকে দেশের আলু চাষি ও রপ্তানিকারকদের জন্য একটি বড় সুযোগ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি জানান, ভিয়েতনামে আলুর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে এবং এই রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হলে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতি অনেকাংশে হ্রাস পাবে। রাষ্ট্রদূত আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, আলুর বাজার উন্মুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের অন্যান্য উদ্ভিদজাত পণ্য, বিশেষ করে তিল ভিয়েতনামে রপ্তানির পথ সুগম হবে।
দূতাবাস বাংলাদেশি কৃষিপণ্যের বৈশ্বিক বাজার সম্প্রসারণে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে আরও পণ্য ভিয়েতনামের বাজারে প্রবেশাধিকার পাবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এই উদ্যোগের ফলে স্থানীয় কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাবেন এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের উৎস আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
টিএইচএ/
