আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আফগানিস্তানের ১০৭তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা, জাতীয় ঐক্য ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বজায় রাখার ওপর জোর দিয়েছেন আফগানিস্তানের ইসলামিক তারা বা তালেবান সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তারা। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে তারা স্বাধীনতার মূল চেতনা ধরে রাখার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে উপ-প্রধানমন্ত্রী মোল্লা আবদুল গনি বারাদার বলেন, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করার সময় আফগান যোদ্ধাদের কাছে সীমিত অস্ত্র ছিল। কিন্তু দৃঢ় ঈমান ও মনোবলের বলেই তারা বিজয় অর্জন করেছিলেন। অন্যদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খলিফা সিরাজুদ্দিন হাক্কানি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, দেশের অভ্যন্তরে পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং সামাজিক সুবিচার কায়েম করার মাধ্যমেই স্বাধীনতার আসল অর্থ ফুটে ওঠে। তিনি অতীত ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশের তরুণ প্রজন্মকে স্বাধীনতার মূল মূল্যবোধ বজায় রাখার তাগিদ দেন।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মৌলভি মোহাম্মদ ইয়াকুব মুজাহিদ আফগানিস্তানের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির কথা উল্লেখ করে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আফগানরা কখনোই কারও আনুগত্য বা দাসত্ব মেনে নেবে না। পাশাপাশি অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান কারি মোহাম্মদ ফসিহউদ্দিন ফিতরাত এবং প্রশাসনিক বিষয়ের উপ-প্রধানমন্ত্রী মৌলভি আবদুল সালাম হানাফিসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্তাব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
১৯১৯ সালের ১৯ আগস্ট আমানুল্লাহ খানের নেতৃত্বের মাধ্যমে আফগানিস্তান ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণমুক্ত হয়ে পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে। ঐতিহাসিক এ দিবস উপলক্ষ্যে এবারও রাজধানী কাবুলসহ দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
