আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জন, দেশীয় সম্পদের সঠিক ব্যবহার এবং আমদানিনির্ভরতা কমানোর লক্ষ্যে যৌথ বিনিয়োগের নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে ইমারাতে ইসলামিয়া। এর অংশ হিসেবে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিল্প ও খনি খাতের চেম্বারগুলোর যৌথ উদ্যোগে একটি নতুন শেয়ারভিত্তিক কোম্পানি গঠন সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
জ্বালানি খাতে বর্তমান চিত্র ও লক্ষ্য
দৈনিক উৎপাদন: বর্তমানে দেশটিতে প্রতিদিন প্রায় ১,০০০ টন পেট্রোলিয়াম উৎপাদিত হচ্ছে।
দৈনিক চাহিদা: আফগানিস্তানে জ্বালানি তেলের দৈনিক চাহিদা প্রায় ৫,০০০ টন।
মূল উদ্দেশ্য: অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়িয়ে দৈনিক ৪,০০০ টনের বিশাল ঘাটতি পূরণ করা এবং রপ্তানিমুখী অর্থনীতির ভিত্তি তৈরি করা।
সরকারি ঘোষণা ও বেসরকারি খাতের ভূমিকা
শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী নূরউদ্দীন আজিজি জানান, জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে পেট্রোলিয়াম খাতের ভূমিকা অপরিসীম। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের বিভিন্ন খাতে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও আগ্রহ উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই অর্থনৈতিক লক্ষ্য অর্জনে বেসরকারি খাতকে সরকার পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করবে।
অন্যদিকে, শিল্প ও খনি চেম্বারের প্রধান আহমদ নবিজাদা সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, সরকারি ও বেসরকারি খাতের যৌথ অংশগ্রহণ আফগানিস্তানকে আমদানিনির্ভরতা থেকে বের করে একটি টেকসই উৎপাদনমুখী ও রপ্তানিমুখী দেশে রূপান্তর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সূত্র: আরিয়ানা নিউজ
